বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
Title :
স্বাগতিক ওমানকে ২৬ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপে টিকে থাকল বাংলাদেশ সাইফ লজিস্টিকসের সঙ্গে কন্টেইনার কোম্পানী অব বাংলাদেশের চুক্তি সম্পন্ন সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধের ডাক ‘চিরঞ্জীব মুজিব’পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের তিনটি টিজার উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আদালতের রায়ে ১২ বছর সাত মাস পর নিজের পদ ফিরে পেলেন অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন আখন্দ আজ থেকে জাতীয়ভাবে পালন হবে ‘শেখ রাসেল দিবস’ রোববার বাগমারায় ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পালিত হয়েছে ‘শেখ রাসেল দিবস’ বীর মুক্তিযোদ্ধা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের হত্যাকান্ডের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন শাকিব খান অবশেষে সেই গৃহবধূ ও তার স্বামী-সন্তানের সঙ্গে সময় কাটান আজ শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসর

রাজধানী চারপাশে চক্রাকার উড়াল সড়ক নির্মাণে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৭৩ Time View

নিউজ এবিসি প্রতিবেদন :   ঢাকার চারপাশে এলিভেটেড সার্কুলার রোড (চক্রাকার উড়াল সড়ক) তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, মাটিতে যেহেতু জায়গা কম সেহেতু এলিভেটেড হলে ভাল হবে। মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এ নির্দেশ দেন তিনি। বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

একনেক সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বৈঠকে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনার সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা যেন বংশাণুক্রমে কাজ (চাকরি) পায়। এ সময় বৈঠকে উপস্থিত স্থানীয় সরকার মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনায় সম্মতি জানান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিষয়টি আরও ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক শামসুল আলম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কাছ থেকে কত ভাড়া নেয়া হবে সে বিষয়ে বৈঠকে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি বলেন, ‘ভাড়া নেয়া যাবে না। ওরা গরিব মানুষ, তাদের জন্য আমাদের সহায়তা দেয়া দরকার। তবে (বাসা) সংরক্ষণ করার জন্য যেটুকু দরকার সেটুকুই যেন নেয়া হয়। খুব বেশি যেন নেয়া না হয়।’

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘উপক‚লীয় অঞ্চলে বাঁধ কাটা রোধে এখন থেকে বাঁধ নির্মাণে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, উপকূলে বাঁধ কেটে যেন চিংড়ি চাষের জন্য নোনা পানি ব্যবসায়ীরা ভেতরে প্রবেশ করাতে না পারে সে বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে হবে। বাঁধের নক্সা চিংড়ি চাষের সহায়ক করে তৈরির নির্দেশ দেন তিনি। যেন আলাদা ড্রেনেজ উৎস তৈরি হয়। সেখান থেকে পানি সংগ্রহের জন্য অর্থ দিতে হবে ঘের মালিকদের। পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদনকালে প্রধানমন্ত্রী পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কাজের প্রশংসা করেন বলে জানান মন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নদীগুলোর নাব্য বজায় রাখতে নিয়মিত ড্রেজিং ও ক্যাপিটাল ড্রেজিং করতে হবে। এছাড়া নদীর ধারে অবস্থিত শিল্প কারখানার বর্জ্য যাতে নদীতে ফেলা না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে। শিল্প কারখানাগুলোতে ইটিপি স্থাপন করতে হবে। বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার এক ফসলি জমিতে যাতে করা হয় সেদিকে নজর দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এবং সেইসঙ্গে শিশুপার্ক তৈরিরও নির্দেশ দেন তিনি।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া আরও কয়েকটি নির্দেশনার কথা সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘হিলি, বুড়িমারী ও বাংলাবান্ধা এলসি স্টেশনের ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ’ শীর্ষক আরেকটি প্রকল্প বৈঠকে উঠেছিল। সেই প্রকল্পের আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব স্থলবন্দরে স্ক্যান মেশিন বসানোর নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, এসব স্থলবন্দরে মালপত্র স্ক্যান করা এবং বডি পর্যন্ত স্ক্যান করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। বৈঠকে উপস্থিত এনবিআর চেয়ারম্যান বলেছেন, এই ব্যবস্থা এই প্রজেক্টে নেই। তবে রাজস্ব ব্যবস্থা থেকে আলাদা একটা প্রজেক্ট এনে এই (স্ক্যানার) ব্যবস্থা করা হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঢাকার চার পাশের নদী তীরে সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন। বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদী রক্ষার বিষয়ে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন, শিল্প ও বাড়ি ঘরের আবর্জনা নদীতে যাওয়ার আগে ওই ময়লা পরিশোধন করার ব্যবস্থা করতে হবে। সকল ময়লা এক জায়গায় করে পরিশোধন করে তারপর পানিটা নদীতে ফেলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ঢাকার চারপাশে একটি সার্কুলার ওয়াকওয়ে করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম বলেন, নদী যাতে দূষণ না হয় সে বিষয়ে সকল সিটি কর্পোরেশনকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মোঃ মামুন-আল-রশিদ সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে, আমাদের নদীর তীরগুলোর অব্যবস্থাপনার কারণে ৩০-৪০ ফুট চলে যায়। যার কারণে নদীর নাব্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা যদি সেখানে পিলার করে ওয়াকওয়ে করে দিতে পারি, তাহলে নদীর ৩০-৪০ ফুট জায়গা বেঁচে যায়। এটা উনার (প্রধানমন্ত্রীর) পর্যবেক্ষণ। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেছেন, ওয়াইজঘাট, সদরঘাট, এসব এলাকাতেও প্রশস্ত রাস্তা নেই। সেখানেও যদি এরকম ওয়াকওয়ে করে দেয়া যায়, তাহলে যানবাহন চলাচলে সুবিধা হবে। পৌর শহরে ফ্ল্যাট তৈরিতে ঢাকার চেয়ে কেন বেশি খরচ পড়ছে- এমন প্রশ্নের উত্তরে মামুন-আল-রশিদ বলেন, প্রকল্প প্রস্তাবে ওই ফ্ল্যাটের আকার ৪৯৫ বর্গফুট বলা হলেও তাতে সবার চলাচলের জন্য খালি জায়গার হিসাব করা হয়নি। শুধুমাত্র ফ্ল্যাটের ভিতরের হিসাব করা হয়েছে। খালি জায়গা হিসাব করা হলে প্রতিটি ফ্ল্যাটের আকার ৭৪৯ বর্গফুট হয়। তখন প্রতি বর্গফুটের নির্মাণ খরচ পড়ে ৪ হাজার ২৬০ টাকা। আর প্রশাসনিক খরচ বাদ দিয়ে ধরলে প্রতি বর্গফুটের নির্মাণ খরচ পড়ে ২ হাজার ৪০০ টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © newsabcbd  
Design & Developed by: A TO Z IT HOST
minhaz